ক্লাউড কম্পিউটিং কি এবং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

ক্লাউড কম্পিউটিং কি এবং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে আজকের ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। ক্লাউড শব্দটির সাথে আমরা অনেকেই হয়তো আগে থেকে পরিচিত, আবার অনেকেই তেমন একটা জানিনা। আজকের আর্টিকেলে ক্লাউড, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব।

শুরু করার আগে আমরা পয়েন্ট আউট করে নেই, কি কি বিষয়ে আমরা জানার চেষ্টা করবঃ

নেটওয়ার্ক টপোলজি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? এখান থেকে পড়ে আসুন…

ক্লাউড কম্পিউটিং কি? What is cloud computing?

সহজ ভাষায় ক্লাউড কম্পিউটিং হলো – নিজের প্রয়োজনের তাগিদে অন্যের জিনিসপত্র কিছু সময়ের জন্য শেয়ার করার প্রক্রিয়াকেই ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।

যদি একটু বিস্তারিত বলে বুঝাতে যাই তাহলে দুইটা উদাহারন দিয়ে বুঝাতে হবে।

প্রথম উদাহারন – একটা সময় বিনোদনের মাধ্যম আজকের মত এত সহজ ছিলনা, ইউটিউব, ফেসবুক কি জিনিস, এসব নিয়ে মানুষের সামান্য তম ধারনা ছিলনা। বিনোদনের মাধ্যম ছিল খুব সীমিত।

সে সময়ে সিডি বাড়া করে মুভি দেখার যুগ ছিল, কারন একটা মুভি একবারের বেশি সাধারণত কেউ দেখেনা, এখন একটা মুভি দেখার জন্য কেউ বেশি দামে সিডি না কিনে অল্প টাকায় বাড়া নিয়ে দেখে নিত। এতে করা যে বাড়া দিচ্ছে তারও লাভ আবার যে বাড়া নিচ্ছে তারও অল্প টাকায় মুভি দেখাও হয়ে যাচ্ছে।

দ্বিতীয় উদাহারন – এখন তো বই পড়ুয়া ছেলে মেয়ের অভাব বলতেই হয়। কিছু বছর আগেও মানুষ বই ভাড়া করে পড়ত। কারন কিছু কিছু বই আছে, যা একবার পড়লেই হয়ে যায়, এই ক্ষেত্রে টাকা দিয়ে বই না কিনে বাড়া নিয়ে পড়লে কম টাকায় পড়া হয়ে যাচ্ছে।

এভাবে যারা অনেক বেশি বই পড়ার ইচ্ছে ছিল, তাঁদের ক্ষেত্রে আরো সুবিধা, অনেক টাকার বই না কিনেও অনেক বেশি বই পড়ার মাধ্যম হিসেবে বই বাড়া নিয়ে পড়ে নেওয়া।

এখন উপরের দুইটি উদাহারনের সাথে ক্লাউড কম্পিউটিং এর সম্পর্ক কি? ইন্টারনেট সিস্টেম কে ব্যবহার করে বিভিন্ন টাইপের সেবা দেওয়ার প্রক্রিয়াকেই ক্লাউড কম্পিউটিং বলা হয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেমে একজন ব্যাক্তি বাঁ প্রতিষ্টান ভার্চুয়াল মেশিন, স্টোরেজ বাঁ অন্য যেকোন সেবা তুলনামূলক কম খরচে নিতে পারে। এতে করে ঐ ব্যাক্তি বাঁ প্রতিষ্ঠানকে আলাদাভাবে পুরো অবকাঠামো তৈরির কোন দরকার হয়না।

বলা যেতে পারে, আপনার কয়েকদিনের জন্য অনেক হাই কোয়ালিটির একটি কম্পিউটার দরকার হয়ে পড়ছে, এই অল্প কয়দিনের জন্য এত হাই কোয়ালিটির কম্পিউটার নতুন ভাবে কিনে নেওয়ার কোণ মানেই হয়না।

এই মুহূর্তে আপনি ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম ইউজ করে ক্লাউড সার্বিস দেয়, এমন কোন কম্পানি থেকে অল্প কিছু দিনের জন্য হাই কোয়ালিটির কম্পিউটার ভাড়া নিয়ে ভার্চুয়াল সিস্টেমে ব্যবহার করে আপনার দরকারি কাজ চালিয়ে নিয়ে পারবেন।

এতে করে আপনার অনেক বেশি খরচও হলোনা, আবার কাজও হয়ে গেল।

খুব অল্প কথায় ক্লাউড কম্পিউটিং হলো – একটি ব্যবসায়িক বিনিময় ক্ষেত্র, যেখানে সেবাদাতা এবং গ্রহীতা উভয়ই লাভবান হয়।

ক্লাউড” শব্দটাকে একটু ব্যাখ্যা করে বুঝাতে হলে বলতে হয় – অনলাইনে নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের ডায়াগ্রামের মধ্যে যে ইন্টারনেট অংশটুকু থাকে, এই ইন্টারনেট অংশটুকু বুঝানোর ক্ষেত্রে সারিবদ্ধ এক গুচ্ছ মেঘ নিয়ে বুঝানো হয়। এই ধারণা থেকেই ক্লাউড শব্দের নামকরণ।

ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম আমরা কেন ব্যবহার করি বাঁ করব?

এই সিস্টেমের কিছু অসাধারণ সুবিধা আছে যা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বেশি প্রয়োজনীয়। কাউড কম্পিউটিং সিস্টেমের সুবিধা গুলো জানার পরেই আমরা এমনিতেই বুঝে যাব কেন আমরা এটি ব্যবহার করি। চলুন শুরু করা যাক –

সময় অনুযায়ী সার্ভিস পাওয়াঃ – এই সিস্টেমে একজন গ্রাহক তার সুবিধা মত যেকোন সার্ভিস বাঁ রিসোর্স ব্যবহার করে আবার কাজ শেষ করার পরে ফিরিয়ে দিতে পারবে।

এতে তার বাড়তি খরচ কমে যায় এবং অতিরিক্ত সময় বাঁ লোকের প্রয়োজন হয়না। একটি উদাহারন দিলে ব্যাপারটি ক্লিয়ার হয়ে যাবে। যেমন –

আপনার একটি দোকান বাঁ সুপারশপ আছে এবং আপনার এই সুপারশপ দুই জন কর্মকর্তা দিয়ে আপনি নয়ন্ত্রণ করে আসছেন। এখন আপনি অনেকদিন যাবৎ একটা ব্যাপার খেয়াল করে আসতেছেন যে, আপনার দোকানে দুপুর তিনটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটু বেশি কাস্টোমার হয়। এই সময়টাতে দুইজন কর্মকর্তা দিয়ে আপনার কাস্টোমারদের মনমত সার্ভিস প্রোভাইড করা সম্ভব হচ্ছেনা।

এই ক্ষেত্রে আপনি ক্লাউড কম্পানিগুলার সাহায্য নিয়ে আপনার এই অল্প সময়ের সমস্যাটি দূর করতে পারেন। ক্লাউড কম্পানি গুলো থেকে আপনি দুপুর তিনটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দরকারী সেবা নিয়ে আপনার কাস্টোমারদের সঠিক সেবা দিতে পারেন এবং অতিরিক্ত কর্মচারি নিয়োগ খরচ থেকেও বেঁচে গেলেন।

যতটুক দরকার ঠিক ততটুক নিনঃ – এই সিস্টেমে আপনার যতটুকু সার্ভিস বাঁ সেবা দরকার ঠিক ততটুকুই নেওয়ার অপশন থাকবে। যেমন, আপনার হোটেলে প্রতি শুক্রবার কাস্টোমারের চাপ বেশি থাকার রান্নার জন্য ৩ টার জায়গায় ৫ টা পাতিল দরকার হয়। আবার দেখা গেল অন্য কোন দিন ৫ টার জায়গায় ৭ টা লাগতেছে।

এই টাইপের সেবা গুলো পেতেও ক্লাউড কম্পানি গুলো আপনাকে হেল্প করবে।

সেবার পরিমান সমান টাকার পরিমানঃ – এই সিস্টেমে আপনি যতক্ষণ রিসোর্স নিয়ে রাখবেন, ঠিক অতটুক সময় অনুযায়ী টাকা পে করতে হবে। এখানে কোন নির্দিষ্ট সময় বেধে দেওয়া থাকেনা যে, এই সময়ের মধ্যে রিসোর্স জমা না দিলে টাকার পরিমান ডাবল হয়ে যাবে।

অর্থাৎ আপনি ৪ ঘন্টার জন্য রিসোর্স আনলে, আপনাকে ৪ ঘন্টার টাকাই দিতে হবে। ভুলে ৫ ঘন্টা হলে ৫ ঘন্টার টাকাই দিতে হবে। হোটেল বিজনেস এর মত দুপুর ১২ টার ৫ মিনিট পরে রুম ছাড়লে পুরো দিনের বিল দিতে হবে ব্যাপারটা এমন না।

ইচ্ছেমত কম্পানি চেইঞ্জ করার অপশনঃ – আপনি বর্তমানে একটি কম্পানি থেকে সেবা নিচ্ছেন। কিছুদিন পর আপনার মনে হলে অন্য আরেকটি কম্পানি আপনার বর্তমান কম্পানি থেকে আরো ভাল সার্ভিস দিচ্ছে।

এই ক্ষেত্রে আপনি যেকোন মুহূর্তে নতুন কম্পানিতে মুভ করতে পারবেন, এই ক্ষেত্রে কোন প্রকার ইমোশনাল ব্যাপার বাঁ থ্রেট নেই। অর্থাৎ আপনার যাহার সার্ভিস ভাল লাগিবে, আপনি তাহার সার্ভিস যখন ইচ্ছে নিতে পারিবেন… হো হো হো।

তথ্য বাঁ ডেটা সুরক্ষিত থাকে – আপনি নিজে হারিয়ে গেলেও যেতে পারেন, কিন্তু আপনার ডেটা বাঁ রিসোর্স হারানোর ভয় নেই। আপনি ডেটা জমা করে রাখার জন্য অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হার্ডডিস্ক ব্যবহার করে থাকেন।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এই হার্ডডিস্ক যেকোন সময়ে নষ্ট বাঁ ক্র্যাশ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা, কিন্তু আপনি যদি ক্লাউড সিস্টেমে আপনার এই টাইপের ভয় নেই।

রাউটার কিভাবে কাজ করে? এখান থেকে পড়ে আসুন…

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ

ব্যবহারিক ভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং কে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে:

০১। পাবলিক ক্লাউড কম্পিউটিং

সেই ক্লাউড সিস্টেমে সেবা বাঁ রিসোর্স কয়েকজন থেকে শুরু হয়ে কয়েক লাখ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। পাবলিক ক্লাউড সিস্টেমে সফটওয়্যার (Software-as-a-service) সেবা হিসেবে পরিচিত।

০২। প্রাইভেট ক্লাউড কম্পিউটিং

এই সিস্টেমে ক্লাউড কম্পিউটিং নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্টান বাঁ ব্যাক্তির কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এটি পাবলিকলি ব্যবহার হয়না।

০৩। হাইব্রিড

এই সিস্টেমে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রাইভেট এবং পাবলিক দুইটা অংশই থাকে। উদাহারন হিসেবে বলা যেতে পারে, কোন একটা কম্পানি তাঁদের কাস্টোমারদের সাথে যোগাযোগ সিস্টেমের জন্য পাবলিক ক্লাউড অংশ ব্যবহার করে আবার অন্যদিকে কাস্টোমারদের ডেটা সিকিউর রাখার ক্ষেত্রে প্রাইভেট ক্লাউড অংশ ব্যবহার করে।

০৪। কমিউনিটি ক্লাউড কম্পিউটিং

কয়েকটা প্রতিষ্টান মিলে এই টাইপের ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠান গুলো ব্যাতীত আর কারো একসেস এই সিস্টেমে নেই।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর কিছু অপকারিতা

উপরের এতক্ষণ ধরে ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম এর পজিটিভ দিক গুলো নিয়েই কথা বলা হয়েছে। এবার কিছু নেগেটিভ দিক সম্পর্কে আলোকপাত করব:

# এই সিস্টেমে সিকিউরিটির ব্যাপারটা নিয়ে জটিলতা হতে পারে। আপনি যে কম্পানিগুলোর কাছে তথ্য বাঁ ডেটা গুলো জমা দিচ্ছেন, তাঁরা যে আপনার ডেটা গুলো নিয়ে নেগেটিভ ভাবে ইউজ করতেছেনা, এই ব্যাপারে আপনি ১০০% সিউরিটি দিতে পারবেন না।

অর্থাৎ আপনার ডেটার সম্পূর্ন সিকিউরিটি নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছেনা।

# যেহতু পুরো সিস্টেমটি ইন্টারেট মাধ্যমে ব্যবহার করে পরিচালনা করা হয়, সেই ক্ষেত্রে তথ্য বাঁ ডেটা করাপ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

# ইন্টারনেট কানেকশন কোন কারনে ধীরগতির হলে, ক্লাউড সিস্টেম সঠিক ভাবে মেইনটেইন করা যাবেনা।

তবে ক্লাউড সিস্টেমের এই নেগেটিভ ইস্যু গুলো নিয়ে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে। হয়তো কোন এক সময় এই গভেশনা সফল হবে এবং ক্লাউড সিস্টেমের এই নেগেটিভ ইস্যু গুলো আর থাকবেনা।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর উৎপত্তি বাঁ ইতিহাস

১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেমের আবির্ভাব হয় এবং ২০১০ থেকে এটি The Rackspace cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার শুরু হয়। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম টি জনসাধারণের কাছে পরিচিতি লাভ করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর ভবিষ্যৎ

ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে কিছু ভবিষ্যৎ বাণী আলোকপাত করা হলোঃ

# ধারণা করা হচ্ছে, ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম আগামী ১০/১৫ বছরের মধ্যেই এক অসীম যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করবে এবং মানুষ তখন রাউটার, ব্যাক্তিগত নেটওয়ার্ক এসব নিয়ে আর কথাই বলবেনা।

_Marcus Vlahovic [Founder And CEO of Sustainabody]

# আগামী ১২/১৫ বছরের মধ্যেই ৪০ থেক ৫০% ছোট ছোট কম্পানি গুলো তাঁদের কম্পানির ওয়ার্কস্টেশনের জন্য আলাদা ভাবে কোন কম্পিউটার, রাইটার, টাওয়ার, সার্ভার এসব কিনার পরিবর্তে খুব ইজিলি মাউস, মনিটর, কিবোর্ড কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য থিন ক্লায়েন্ট প্রযুক্তি কিনবে।

_Mike Smith [Founder of AeroComInc.com]

ক্লাউড স্টোরেজ কি?

অনলাইনে ডেটা সুরক্ষিত রাখার সিস্টেমকেই ক্লাউড স্টোরেজ বলা হয়। আমরা অনেক ক্ষেত্রে ডেটা বাঁ তথ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য পেনড্রাইভ বাঁ হার্ডডিস্ক ব্যবহার করে থাকি।

কিন্তু পেইনড্রাইভ বাঁ হার্ডডিস্ক যেকোন সময়ে ক্র্যাশ বাঁ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এই টাইপের ভয় থেকে রক্ষা পেতে আপনি ক্লাউড স্টোরেজ সিস্টেম কে ব্যবহার করতে পারেন।

যেমন, আপনি যদি Google Drive, Drove Box অথবাঁ মাইক্রোসফটের ওয়ানড্রাইভ ইউজ করে থাকেন, তাহলে বুঝতে পারবেন যে, ডেটা স্টোর করার জন্য এই কম্পানি গুলো কিছু স্পেস দিয়ে থাকে। আপনি যদি এই সিস্টেমে ডেটা স্টোর করে রাখেন, তাহলে যেকোন জায়গা থেকেই আপনি প্রয়োজন মত ডেটা গুলো একসেস করে ইউজ করতে পারবেন।

এতে আপনার ডেটা হারানোর ভয় থাকবেনা এবং ডেটা ক্র্যাশ হওয়ারও সম্ভাবনা থাকেনা। এছাড়া আপনি ইচ্ছে করলে স্টোরেজ এর পরিমান অতিরিক্ত টাকা পে করার মাধ্যমে বাড়িয়ে নিতে পারেন।

অনেক নামকরা কম্পানি আছে, যারা এই টাইপের ক্লাউড স্টোরেজ সেবা দিয়ে থাকে। এদের মধ্যে কিছু কম্পানির নাম হলোঃ Google, Microsoft, Amazon, etc.

উপসংহার

ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে আজকের মত এখানেই সমাপ্তি। আমি চেষ্টা করছি বিস্তারিত ভাবে ধারণা দেওয়ার। আর্টিকেলটি ভাল লাগলে ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে আপনার প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে করে ফেলুন। টেকনোজলি রিলেটেড ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল টি এখান থেকে সাবসক্রাইব করে নিতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

Kawkab Nadim

আস সালামু আলাইকুম! আমি কাওকাব নাদিম! কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে জোর করে অনার্স করেছি ☹️। যদিও আমি একজন ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেড পারসোন, তবুও অনলাইন মার্কেটিং এবং টেকনোলজি নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে আমার মন থেকে ভালোলাগা কাজ করে ❤️ এখানে ঘাটাঘাটি বলতেই আমার কাছে সত্যিকারের পড়াশুনা 🙂 মাঝে মধ্যে আমার বিভিন্ন টপিকে আর্টিকেল লিখতে ভালো লাগে, আর সেই ভালো লাগা থেকেই আমার এই পারসোনাল ওয়েবসাইট। আমার আর্টিকেল গুলো আপনাদের ভালো লাগলে অন্যদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিতে ভুলবেন না। নিজেকে নিয়ে আর তেল দেওয়ার কিছুই নাই 😉 আমার সাথে কানেক্ট থাকতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ!

Leave a Reply