নিশ সাইট কিওয়ার্ড রিচার্স কিভাবে করবেন? বিস্তারিত জানুন।

নিশ সাইট কিওয়ার্ড রিচার্স কিভাবে করবেন? বিস্তারিত জানুন।

আজকের টপিক – নিশ সাইট কিওয়ার্ড রিচার্স, বিস্তারিত জানুন! ভাবছেন একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে হাজার $ ইনকাম করবেন? এমনটা ভাবতেই পারেন, স্বপ্নও দেখতে পারেন।

আমরা স্বপ্ন আর ভাবনাটাই বেশি অনুভব করি। আপনি যদি টাকা ইনকাম করার প্লান নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান, তাহলে অবশ্যই কিওয়ার্ড এর উপর অনেক রিচার্স করে আগানো ভাল।

আজকে আমি কিওয়ার্ড রিচার্স নিয়ে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করব। মেইন টপিক নিয়ে বলার আগে আমি ওয়েবসাইট রেঙ্ক নিয়ে কিছু বলতে চাই।

রিলেটেড ব্লগ – KGR কিওয়ার্ড কি? কিভাবে KGR কিওয়ার্ড বের করবেন? বিস্তারিত জানুন

নিশ সাইট কিওয়ার্ড রিচার্স টপিকের মধ্যে – ওয়েবসাইট রেঙ্ক কি?

আপনি যদি ওয়েবসাইট রেঙ্ক ব্যাপারটা না জেনে থাকেন, তাহলে বলব – ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার স্বপ্ন দেখাটা বোকামি। আমরা এখন সবাই জানি সাইট রেঙ্ক এর পজিটিব দিক।

সাইট রেঙ্ক মানে, গুগল সহ অন্যান্য যে সার্চ ইঞ্জিন গুলো আছে, সেই সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটকি কত নাম্বার পজিটশনে শো করছে এটাকেই বুঝানো হয়ে থাকে।

শুধু কি মেইন ওয়েবসাইট রেঙ্ক এ আসলেই হয়ে যাবে? কখনোই না, আপনার সাইটের যে আর্টিকেল গুলো থাকবে, সেগুলাকেই রেঙ্ক করানো আপনার মেইন কাজ, কারন আপনার ওয়েবসাইটের নাম লিখে গুগলে সার্চ করলে এমনিতেই প্রথমে চলে আসবে, বাট আপনার ওয়েবসাইট নাম লিখে ওরগানিক ভাবে মানুষ সার্চ দিবেনা, কেন দিবেনা সেটা আপনি একটু চিন্তা করলেই বুঝে যাবেন।

আমরা সব সময় ডোমেইন নেওয়ার ক্ষেত্রে সার্চ ভলিউম থাকেনা এবং আমাদের নীশের সাথে মিল আছে এমন নাম গুলোকেই সিলেক্ট করি, যেন ডোমেইন নাম লিখে গুগলে সার্চ দিলে আমাদের ওয়েবসাইট রেঙ্ক এ চলে আসে।

মানুষ আপনার সাইটে কেন আসবে? আপনার সাইটের ডিজাইন দেখতে আসবেনা, আসবে কনটেন্ট বা আর্টিকেল গুলো পড়তে।

আপনার আর্টিকেল গুলো যদি খুব ভাল মানের হয়ে থাকে, আর যদি আপনি সেই আর্টিকেল গুলোকে খুব ভালভাবে এসইও করে রেঙ্ক করাতে পারেন তাহলেই কিন্তু আপনি সাকসেস।

সাইটের কনটেন্ট ভালো হলে মানুষ আপনার সাইটে বারবার আসবে এটাই সত্যি। তাই মেইন ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সাইটের সব কনটেন্ট গুলোকেও সঠিক ভাবে এসইও করে রেঙ্ক এ নিয়ে আসতে হবে।

আশা করছি রেঙ্ক ফেক্টর টি বুঝেছেন। এখন কিওয়ার্ড রিসার্চ একটি নিশ সাইট রেঙ্ক এর ক্ষেত্রে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে সেটা নিয়েই আজকের মেইন টপিক।

প্রথমে আমরা জেনে নেই মেইন কিওয়ার্ড কি?

“নিশ সাইট কিওয়ার্ড রিচার্স” এর ক্ষেত্রে মেইন কিওয়ার্ড শব্দটি অনেক বেশি গুরূত্বপূর্ণ। মেইন কিওয়ার্ড ব্যাপারটি ওয়েবসাইট তৈরির আগ থেকেই আপনাকে ভাবতে হবে। আপনি যে টপিকে সাইট ডেভেলপ করবেন, সেই টপিক নিয়ে খুব ভালভাবে রিসার্চ করে একটি মেইন কিওয়ার্ড খুঁজে নিতে হবে।

সাইটের মেইন কিওয়ার্ড কোথায় রাখবেন?

আপনি অনেক রিসার্চ করে যে কিওয়ার্ডটিকে মেইন হিসেবে সিলেক্ট করেছেন, সেটিকে সাইটের হোম পেইজে মেটা টাইটেল এবং মেটা ডেসক্রিপশনের সাথে টেকনিক্যালি রেখে দিবেন।

একটি নিশ সাইটের জন্য মেইন কিওয়ার্ড কয়টা?

মেইন কিওয়ার্ড একটা কেই বাছাই করবেন যদি আপনার সাইট ছোট নিশ টাইপের হয়ে থাকে। সাথে আরো ৫/৬ টা সাপোর্টিং কিওয়ার্ড বাছাই করে নিবেন।

এখানে নিশ ওয়েবসাইট বলতে, আপনি যদি নির্দিষ্ট একটি টপিক নিয়ে সাইট ডেভেলপ করে থাকেন। এর মানে হলো আপনি ঐ নির্দিষ্ট টপিক ছাড়া আর অন্য কোন কিছু নিয়ে আপনার সাইটে আর্টিকেল লিখবেন না।

এই টাইপের সাইটকে নিশ সাইট বলে। যেমন – বাংলাদেশের ইউনিভার্সিট, এটা যদি আপনার মেইন কিওয়ার্ড হয়। আপনি আপনার সাইটে বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি রিলেটেড টপিক গুলো নিয়েই আপনার সাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করবেন। এখানে কিন্তু কলেজ/স্কুল এই ব্যপার গুলো আসবেনা।

সাপোর্টিং কিওয়ার্ড কিভাবে ইউজ করব?

৫/৬ টা যে সাপোর্টিং কিওয়ার্ড খুঁজে বের করবেন, এগুলা দিয়ে আর্টিকেল লিখে সাইটে পারলিশ করবেন। ৫/৬ টা সাপোর্টিং কিওয়ার্ড দিয়ে ৫/৬ টা আর্টিকেল, মানে প্রতিটা সিঙ্গেল সাপোর্টিং কি দিয়ে একটি আর্টিকেল লিখার চেষ্টা করবেন।

সাইটের হোম পেইজে মেটা টাইটেল এবং মেটা ডেসক্রিপশনের মধ্যেও সাপোর্টিং কিওয়ার্ড গুলো টেকনিক্যালি ইউজ করার চেষ্টা করবেন। মেটা টাইলে আপনি ইচ্ছে করেলেই ৫/৬ টা কিওয়ার্ড বসাতে পারবেন না, তাই মেটা ডেসক্রিপশন এমন ভাবে লিখবেন যেন মেইন কিওয়ার্ড এর সাথে সাপোর্টিং কিওয়ার্ড গুলোর ছোঁয়া মিশানো থাকে।

কিওয়ার্ড রিসার্চ কেন গুরূত্বপূর্ণ বুঝেছেন?

উপরের আলোচনায় আশাকরি বুঝেছেন, নিশ সাইটের জন্য কিওয়ার্ড রিচার্স কতটা গুরূত্বপূর্ণ একটি ওয়েবসাইট ডেভেলপের আগে। আপনার কিওয়ার্ড রিসার্চ যত ভালভাবে হবে, সাইট তত দ্রুত রেঙ্ক করবে। বর্তমানে প্রচুর কম্পিটিশনের মধ্যে সাইট রেঙ্ক করতে হয়।

আবার ভাববেননা কম্পিটিশন ভেড়ে গেছে তাই ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার হার কমে যাচ্ছে। কম্পিটিশন যেমন ভাড়ছে, কাজের সম্ভাবনাও বাড়তেছে। এমন কিছু কিওয়ার্ড নিয়ে আপনি কাজ শুরু করতে পারেন, যে কিওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন অনেক লো বা যেই কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিওম এখনো গুগলের কাছে জমা হয়নি।

এই টাইপের লো কোয়াটির কম্পিটিশন কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলেই যে খারাপ হবে, ব্যাপারটা তেমন না। আমি একটু উদাহারন দিয়ে যদি বলি –

মনে করুন আমি একটা কিওয়ার্ড কি সাইট বানাবো,যার সার্চ ভলিওম গুগলের কাছে এখনো শূন্য। এই টাইপের একটি কিওয়ার্ড হতে পারে –“বর কনে ওয়েবসাইট”। এটাই হলো আমার মেইন কিওয়ার্ড।

বর্তমানে এই কিওয়ার্ড এর কম্পিটিশন অনেক লো, এবং এর সার্চ ভলিওম শূন্য। আমি যদি এই কিওয়ার্ড নিয়ে সাইট ডেভেলপ করি, তাহলে খুব সহজেই গুগলের প্রথম পেইজে চলে আসতে পারব। কারন আমি জানি, ভবিষ্যৎ তে এই কিওয়ার্ড দিয়ে মানুষ গুগলে সার্চ করবে।

আমি জাস্ট বুঝানোর জন্য এমন একটি উদাহারণ টেনে নিয়ে আসলাম। আরো ভাল ভাল কিওয়ার্ড আপনি খুঁজে পেতে পারেন, যেগুলার সার্চ ভলিওম অনেক কম বা শূন্য এবং কম্পিটিশন অনেক লো, বাট ভবিষ্যৎ তে সার্চ ভলিওম বাড়বে।

এই জন্যই বলেছি, কম্পিটিশন যেমন আগের তুলনায় অনেক হারে বেড়েছে, ঠিম তেমনি কাজের পরিধিও অনেক হারে বাড়ছে।

নিশ সাইটের জন্য কিওয়ার্ড রিচার্স ছাড়া ওয়েবসাইট ডেবেলপ করে তেমন একটা লাভ নেই। তাই ওয়েবসাইট থেকে যদি ইনকাম করার চিন্তা থাকে, সবার আগে খুব সুন্দর একটি টপিক বাছাই করে নিবেন। সেই টপিক অনুযায়ী একটি মেইন কিওয়ার্ড এবং ৫/৬ টা সাপোর্টিং কিওয়ার্ড বাছাই করে কাজ শুরু করবেন।

মেইন কিওয়ার্ড আর সাপোর্টিং কিওয়ার্ড রেঙ্ক করালেই কাজ শেষ?

আপনার ওয়েবসাইট রেঙ্ক করানো কাজ মোটামুটি শেষ বলতে পারেন বাট অন্য কাজ নিয়মিত করে যেতে হবে। একটা ওয়েবসাইটে শত শত আর্টিকেল থাকে, আপনি মেইন কিওয়ার্ড দিয়ে একটা আর্টিকেল আর সাপোর্টিং কিওয়ার্ড আরো ৪/৫ টা আর্টিকেল লিখে বসে থাকলে চলবে?

আমি আপনাকে বুঝাতে চেয়েছি, আপনার ওয়েবসাইটের যে মেইন কিওয়ার্ড আর সাপোর্টিং গুলো আছে, এগুলাকেই রেঙ্ক করানো আপনার মেইন কাজ।

যখন এই কিওয়ার্ড গুলো রেঙ্ক হয়ে যাবে, এবং এই কিওয়ার্ড গুলোর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে আস্তে আস্তে ট্রাফিক আসা শুরু করবে, তখন আপনার সাইটের অন্য ব্লগ বা আর্টিকেল গুলো মানুষ এমনিতেই পড়বে। আর এভাবেই আপনার মেইন কিওয়ার্ড আর সাপোর্টিং কিওয়ার্ডের মাধ্যমে অন্য আরো অনেক কিওয়ার্ড রেঙ্ক অটো হয়ে যাবে।

প্রতিটা ওয়েবসাইট মালিক চেষ্টা করে তাঁদের নিশ রিলিটেড ১০ থেকে ১২ টা কিওয়ার্ড রেঙ্ক করাতে, অবশ্যই এর মধ্যে তাঁদের একটা মেইন কিওয়ার্ড থাকে। এই ১০ টা কিওয়ার্ড যখন রেঙ্ক হয়ে যাবে, তখন অন্য আর্টিকেলের গুলো এমনিতেই রেঙ্ক হয়ে যায় বা বিজিটর আসতে থাকে।

বিঃদ্রঃ কিওয়ার্ড রিচার্স সবাই একই সিস্টেমে করে না। আমি এখানে আমার একটি রিচার্স করার সিস্টেম নিয়েই বলেছি। আমি এইভাবে আমার নিশ সাইটের জন্য মেইন কিওয়ার্ড সহ কিছু সাপোর্টিং কিওয়ার্ড আগে বের করে রাখি। এবং এর সাথে আর্টিকেল এর জন্য আরো ৩০ থেকে ৪০ টা কিওয়ার্ড বের করে তারপর কাজ শুরু করি।

Frequently Ask Questions:

নিশ সাইট ব্যাপার টা আসলে কি?

Ans: নিশ সাইট বলতে আমরা যে কোন পার্টিকুলার একটা নির্দিষ্ট টপিক কেই বুঝি। যেমন আপনি চাচ্ছেন একটা ওয়েবসাইট বানাতে যেটাতে শুধু মাত্র ঘড়ি নিয়ে রিভিউ লিখবেন আর ঘড়ি রিলিলেট বিভিন্ন ইনফরমেটিব টিপস দিবেন। তাহলে এটা একটা ঘড়ি রিলেটেড নীশ সাইট। আশাকরি বুঝেছেন।

নিশ সাইটে ঠিক কতটা আর্টিকেল দিলে মোটামুটি ভাল একটা অবস্থানে চলে আসা যায়?

Ans: দেখুন এটা নির্বর করে আপনার নিশ এর উপর। দেখা গেছে এমন কিছু ছোট নিশ সাইট আছে, যেগুলাতে ৪০ থেকে ৫০ টা আর্টিকেলেই সাইট Google এ রেঙ্ক হয়ে গেছে এবং খুব ভালো বিজিটর ও আসতেছে।

আবার দেখা গেছে এমন অনেক নিশ সাইট আছে যেগুলাতে ১০০০ এর উপরেও আর্টিকেল আছে এবং এই টাইপের নিশ সাইট কে অথোরিটি সাইট বলা হয়। এই পুরো ব্যাপারটা আপনার নিশ এর উপর ডিপেন্ড করে।

নিশ সাইট এবং অথোরিটি সাইটে মেইন পার্থক্য কি?

Ans: নীশ সাইট ছোট একটা টপিকে হয়ে থাকে আর অথোরিটি সাইট অনেক বড় কোন টপিক নিয়ে সাজনো হয়। যেমন – Golf Ball নিয়ে যদি একটা সাইট ডেভেলপ করা হয়, তাহলে এটি একটি নিশ সাইট আর যদি পুরো Golf নিয়ে আর একটি সাইট ডেভেলপ করা হয়, তাহলে সেটি হবে অথোরিটি বা সেমি অথোরিটি সাইট। সেমি অথোরিটি সাইট এই জন্যই বলেছি, Golf টপিক টি অনেক বড় না। এই ব্যাপার গুলো আপনি যখন নিশ রিসার্চ করতে যাবেন, তখন আস্তে আস্তে বুঝে যাবেন।

রেঙ্ক করানো সহজ কোনটা, নিশ নাকি অথোরিটি?

Ans: এই ক্ষেত্রে নিশ সাইট আপনার জন্য পজিটিভ রেজাল্ট দিবে, কারন নিশ সাইট রেঙ্ক করানো অথোরিটি সাইট থেকে অনেকটাই সহজ। কারন ৪০ থেকে ৫০ টা আর্টিকেলের মধ্যেই একটা নিশ এর প্রায় সব কিছু নিয়ে কথা বলা শেষ হয়ে যায়, আর গুগল এই টাইপের সাইট কে সহজে রেঙ্ক করে।

নিশ এবং অথোরিটি সাইটের পজিটিভ এবং নেগেটিভ দিক কোনটি?

Ans: নিশ সাইটের পজিটিভ দিক, রেঙ্ক করানো সহজ বাট বিজিটর অথোরিটিস সাইটের তুলনায় অনেকটাই কম আসবে। অন্য দিকে অথোরিটি সাইটের পজিটিভ দিক প্রচুর বিজিটর আসবে বাট রেঙ্ক করানো অনেকটাই কঠিন।

শেষ কথা

আজকের টপিক “নিশ সাইট কিওয়ার্ড রিচার্স” এখানেই শেষ করলাম। উপরের আলোচনা থেকে নিশ সাইটের জন্য কিওয়ার্ড রিচার্স একটি ওয়েবসাইট রেঙ্ক এর ক্ষেত্রে কতটুক গুরূত্বপূর্ণ আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।

আর্টিকেলটি ভাল লাগলে ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে করে ফেলুন, সময় পেলে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ!

Kawkab Nadim

আস সালামু আলাইকুম! আমি কাওকাব নাদিম! কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে জোর করে অনার্স করেছি ☹️। যদিও আমি একজন ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেড পারসোন, তবুও অনলাইন মার্কেটিং এবং টেকনোলজি নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে আমার মন থেকে ভালোলাগা কাজ করে ❤️ এখানে ঘাটাঘাটি বলতেই আমার কাছে সত্যিকারের পড়াশুনা 🙂 মাঝে মধ্যে আমার বিভিন্ন টপিকে আর্টিকেল লিখতে ভালো লাগে, আর সেই ভালো লাগা থেকেই আমার এই পারসোনাল ওয়েবসাইট। আমার আর্টিকেল গুলো আপনাদের ভালো লাগলে অন্যদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিতে ভুলবেন না। নিজেকে নিয়ে আর তেল দেওয়ার কিছুই নাই 😉 আমার সাথে কানেক্ট থাকতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ!

Leave a Reply