আপনিও পারেন একজন কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে

0
1914
কনটেন্ট রাইটার

আজকের টপিক – কনটেন্ট রাইটার! আপনি হয়তো নিজেও জানেন না আপনি কতটা পারফেক্ট অনলাইন প্লাটফর্মের জন্য। আমরা অনেক সময় ভুলে যাই যে আমরা এমন কিছু পারি যেটা দিয়ে আমাদের ক্যারিয়ার অনলাইনে খুব ভালো ভাবেই স্টেবল করা সম্ভাব।

আজকে কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার কিভাবে অনলাইনে গড়া যার সে বিষয়ে একটু বিস্তারিত বলবো আপনি খুব ভালো লিখতে পারেন। ফেসবুক ওয়ালে আপনি হয়তো প্রতিদিন কিছু না কিছু লিখেই যাচ্ছেন।

মাঝে মাঝে কবিতা , গল্পও লিখেন মনের ইচ্ছাতে। আপনার এই লিখার অভিজ্ঞতাকে আপনার প্রফেশন হিসেবে অনলাইনে কাজে লাগাতে পারবেন এই ভাবনা টা কখনোই হয়তো আপনার মাথায় আসেনি। আমি জানিনা আমি কতটুক আপনাকে ইন্সপায়ার করতে পারবো।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি? Info Here…

কনটেন্ট বা আর্টিকেল রাইটার কি  ?

খুব সহজ ভাষায় কনটেন্ট রাইটার হলো – আপনি অন্যের ওয়েবসাইটের জন্য কনটেন্ট লিখে দিবেন  আর এই লিখে দেওয়ার জন্য ঐ ওয়েবসাইটের ওনার আপনাকে টাকা পেমেন্ট করবে, প্রতি হজার ওয়ার্ড এর জন্য কমপক্ষে $১০।

তাই বলা যায় ওয়েবসাইটের কনটেন্ট যারা লিখে তাদেরকে কনটেন্ট রাইটার বলা হয়। যেমন আমার এই ওয়েবসাইটের কনটেন্ট রাইটাই আমি নিজেই। আমার এই মুহূর্তে দরকার হচ্ছেনা কাউকে হায়ার করে আমার সাইটের জন্য কনটেন্ট লিখানো। আমার হাতে এখন অনেক সময় এবং আমি নিজেই মোটামুটি লিখতে পারি । তাই আমার ওয়েবসাইটের কনটেন্ট রাইটার আমি নিজেই।

গুগলে মিলিওন মিলিওন ওয়েব সাইটের মালিক আছে। যারা সবাই নিজের কনটেন্ট নিজে লিখেনা। যারা অন্যের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে কনটেন্ট লিখিয়ে নেয়। তাই আপনিও হয়ে যেতে পারেন যে একজন সফল কনটেন্ট রাইটার।

নিজের প্রতিভাকে এভাবে কাজে লাগাতে পারলে শুধু যে ইনকাম হবে ব্যাপারটা তা নয়। এই কনটেন্ট লিখতে গিয়ে আপনি অনেক কিছুই শিখতে পারবেন। কারন যে আপনাকে কোন একটা পার্টিকুলার বিষয়ে কনটেন্ট লিখার জন্য হায়ার করবে।

সে কিন্তু আপনাকে ঐ পার্টিকুলার বিষয়ে লিখার জন্য অল্প কিছু ডকোমেন্ট দিয়ে দিবে। আপনাকে গুগল খুঁজে খুঁজে সম্পর্ণ আর্টিকেলটি খুব ভালো ভাবে লিখতে হবে। এভাবে আপনি যদি ২০ টা সাইটের জন্য ১০০ টা কনটেন্ট বিভিন্ন সময়ে লিখেন। আপনি এই ১০০ টা কনটেন্ট লিখার পরে অনেক কিছুই জানতে পারবেন।

একটা সময় আপনি নিজেই একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে নিজেকে আরো উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবেন। জ্ঞান অর্জন কিন্তু এভাবেই আস্তে আস্তে হয়ে যায়।

কনটেন্ট লিখার ধরন বা পদ্ধতি কেমন ?

  1. সফটওয়্যার বা সিস্টেম প্রসেস কনটেন্ট
  2. রিভিউ কনটেন্ট

খুব ভালো একটা প্রশ্ন।যত ধরনের কনটেন্ট বিভিন্ন টাইপের ওয়েবসাইটের জন্য লিখা হয় সব কনটেন্ট লিখার পদ্দ্বতি সাধারণত দুই ধরণের হয়ে থাকে –

সফটওয়্যার বা সিস্টেম প্রসেস কনটেন্ট

ধরুন আপনি একটি সফটওয়্যার এর কাজের ধরন নিয়ে লিখবেন। তাহলে আপনাকে কিন্তু সফটওয়্যারটি কিভাবে কাজ করে এ টু জেড আপনাকে সাজিয়ে লিখতে হবে। এই ধরনের কনটেন্ট লিখার প্রসেস কে বলা হয় সফটওয়্যার বা সিস্টেম প্রসেস কনটেন্ট।

রিভিউ কনটেন্ট

আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা। ৭০% এর বেশি কনটেন্ট এই রিভিও টাইপের হয়ে থাকে। রিভিউ কনটেন্ট হলো কোন প্রোডাক্ট কে মার্কেটিং করার জন্য যে যে কথা গুলো সাজিয়ে লিখতে হয় সে প্রসেস কমপ্লিলিট করে যদি কোন কনটেন্ট লিখা হয় তাকে রিভিউ কনটেন্ট বলে।

রিভিও কনটেন্ট সফটওয়্যার কনটেন্ট এর তুলনায় অনেক ছোট এবং সহজ হয়ে থাকে।

আমি এতক্ষণ কি টাইপের কনটেন্ট লিখলাম??

হা হা ! খুব ভালো প্রশ্ন। আমি এই কনটেন্টটি সিস্টেম প্রসেস কনটেন্ট হিসেবেই ধরে নিবো। কারণ আমি আপনাকে একটা প্রসেস কেই বুঝানোর চেষ্টা করেছি। কনটেন্ট লিখার মাধ্যমে কিভাবে নিজেকে ডেভেলোপ করা যায়। কিভাবে প্রফেশন হিসেবে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কে কাজে লাগাতে পারবেন। এই টোটাল পদ্দ্বতিকে আমি প্রসেসের মাধ্যমে বুঝানোর চেষ্টা করছি।

ইউটিউব এসইও কিভাবে করবেন? Info Here…

কি কি টাইপের কনটেন্ট হতে পারে  ??

একটু আগে বলেছি কনটেন্ট লিখার ধরন বা পদ্ধতি দুইটা কেটাগরি। আর এখন লিখবো কি কি টাইপের কনটেন্ট হতে পারে। কত হাজার রকমের কনটেন্ট যে হতে পারে সেটা আমি হিসাব করে বলতে পারবোনা। তবে খুব গুরুত্বপূর্ণ তিনটি  টাইপ নিয়ে লিখছি –

  • ভিডিও কনটেন্ট – সাপোস আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য একটি ভিডিও বানালেন। ভিডিওর টপিক অনুযায়ী আপনি যদি রিভিউ আকারে একটি কনটেন্ট লিখেন , তাহলে সেই কনটেন্টকে ভিডিও কনটেন্ট বলা যায়। তো বলা হয়ে থাকে যে, ভিডিও কনটেন্ট যে কোন ওয়েবসাইটের জন্য ট্রাফিক গেইন করার জন্য খুব ভালো পদ্ধতি।
  • প্রশ্ন করার মাধ্যমে যে কনটেন্ট লিখা হয় – প্রশ্নের মাধ্যমে যেসব কনটেন্ট লিখা হয়ে থাকে তাদেরকে এই কাতারে ফেলা হয়। এই টাইপের কনটেন্ট গুলাও খুব ভালো ট্রাফিক গেইনার হিসেবে কাজ করে থাকে।
  • ট্রেনডিং টপিক – বর্তমানের যে কোন বিষয় নিয়ে অনলাইনে খুব বেশি হৈচৈ। এমন বিষয়কেই ট্রেনডিং টপিক বলে। ট্রেনডিং টপিক সবচেয়ে ভালো ট্রাফিক গেইনার হিসেবে কাজ করে।

FAQ

আশাকরছি আপনি উপরের লিখা গুলো থেকে বুঝতে পেরেছেন যে – কনটেন্ট রাইটার হিসেবে সত্যিই নিজের কেরিয়ারকে সাজানো যায়। আপনি যদি বিভিন্ন ফ্রিলেন্সিং মার্কেট প্লেস গুলোতে একটু চোখ বুলিয়ে আসেন।

তাহলে দেখতে পারবেন কনটেন্ট রাইটারদের কতটা বেলু। ফাইবার , আপওয়ার্কের মত মার্কেট প্লেস গুলোতে একটু দেখে আসুন। আজ এখানেই ইতি টানছি। সামনের কোন আর্টিকেলে আবারো লিখবো অন্য কোন ভালো টপিক নিয়ে। ভালো থাকবেন । ধন্যবাদ !!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here